মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, প্রশাসন অবৈধভাবে দক্ষিণ প্রতাপপুর মৌজার ১১৪, ৪৬, ৪৪, ৪৫, ৫১, ৫২, ১২০, ১২২, ১২৩, ১১৫, ৯৫ ও ১১৮ দাগের প্রায় ১৬ একর রেকর্ডীয় জমি বালুমহালের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। তারা জানান, 'হাজীপুর বালুমহাল' নাম দেওয়া হলেও মূলত হাজীপুরে কোনো বালু নেই। ফলে প্রশাসন উদ্দেশ্যমূলকভাবে দক্ষিণ ও উত্তর প্রতাপপুর এলাকার মানুষের বসতি ও আবাদি জমিকে বালুমহাল হিসেবে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে, যা স্থানীয়দের চরম দুশ্চিন্তায় ফেলেছে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, সরকার যাদের ইজারা দিয়েছে তারা এখনো দখল বুঝে না পেলেও স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র ‘বালু খেকো’ হিসেবে মাঠে নেমেছে। এই চক্রটি স্থানীয় সংসদ সদস্য, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ও জেলা প্রশাসকের নাম ভাঙিয়ে প্রতি রাতে খেলার মাঠ ও বাগান থেকে শত শত ট্রাক বালু পাচার করছে।
এই অবৈধ বালু পরিবহনের ফলে এলাকায় ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, গত রোববার রাতে যানজটে আটকা পড়ে সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছাতে না পেরে একজন অসুস্থ রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা শামছুল হক, শ্রী ময়না দেবনাথ, কাদির মৌলভী, শ্রী নিরঞ্জন নাথ, ফখর উদ্দিন, আব্দুল মতিন, আবু বক্কর, ইমতাজুর রহমান প্রমুখ।
সমাবেশ থেকে এলাকাবাসী অবিলম্বে উল্লিখিত দাগের রেকর্ডীয় জমি ও খেলার মাঠকে বালুমহালের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানান। অন্যথায় নিজেদের ঘরবাড়ি ও অস্তিত্ব রক্ষায় আরও কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা। একই সাথে রাতের আঁধারে বালু লুটপাটকারী চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।
Imdadur Rahman